অনাদৃত সঙ্গম

দীঘির জলে আলতো ছোঁয়া

নীলাভো আঁচে লালচে আগুনের মত,

ছুঁয়েছি তোমায় কোমল করে-

এলো তোমার হাসিতে একটু ভেজা

অধরসিক্ত টগরের রক্তিমাভার মত,

ছুঁয়েছ আমায় রঙ্গিন করে-

আলিঙ্গনের তীব্র আশে

একাকার হবার ঝড়ো উন্মত্ততায়,

উড়ে আসি অনাদৃত-

এইতো তুমি হাতের কাছেই

ছুটে যাই আবারিত উল্লাসী পাগল

আমি আবারো অবুঝ-

অস্পৃশ্য আঁচড় আমার পাঁজরে

তোমার চোখের মুক্তোগোছা বলে অব্যক্ততা,

মূর্ছা আমি অপাংক্তেয়-

দেয়ালের ওপারে তুমি একটু ছুঁয়ে যাও

ছুঁতে গিয়ে, মিলিয়ে যাবো বলে,

হয়ে যাই অবাঞ্ছিত-

অঙ্গুলীহেলনে গড়িয়ে দিলে

অবহেলিত গোলকের মত,

দূরত্বই অমোঘ নিয়তি।

Advertisements
Posted in Uncategorized | Leave a comment

রত্নগর্ভা

খাবি না বাবা? একটু খেয়ে নে

তোর কত কাজ করা লাগে, মায়ের জন্য কত কি করিস

দেশ-বিদেশ চষে বেড়াস আরো কত কি-

আগে গলাটা ভিজিয়ে নে

গরীবের ঘাম আর রক্তে যে স্বাদ- আর কোথাও পাবি না

তবে নতুন যে ফিল্টারটা লাগিয়েছি সেটায় ফিল্টার করে নিস-

কি মরা-পচা ছাই খায় ওরা

রক্ত দূষিতও হতে পারে;

আরেকটুকু নিয়ে খা- এতটুকু খেলে চলবে কেনো?

তাগড়া-মুশল রহিমের কলজেটা এনে দিই?

ওর শরীরটা বিল্ডিংয়ের পিলারে ছেঁচে গেলেও কলজেটা আঁচড়ছাড়া

দেখে এনেছি-

অথবা জরিনার নরম পায়ের রোস্টটা দিই?

হতভাগীর কচি শরীরটার আর কিছুই আনতে পারি নি-

একটু খা বাবা-

শরীরে বল না হলে হবে?

একি তুই মূষড়ে পড়লি যে-

চিন্তা করে না বাবা। মা থাকতে চিন্তা কি?

ওহো, বাইরের গন্ডগোলে বুঝি? পাগল ছেলে আমার-

ওরা দঙ্গল বেধে এসেছে, আবার চলে যাবে, ভুলেও যাবে শীগগির;

অযথা চিন্তা করে তোর প্রেশার বাড়াতে হবে না-

আর খাবি না বুঝি? থাক খেতে হবে না।

ঘুমুবি? এসিতে তোর আবার ঠান্ডা লেগে যায়-

দেব এক্সপোর্ট কোয়ালিটির কম্বলটা বের করে?

কত কষ্ট করে এগুলো বানাস তুই

আর ওই ছুঁচকেগুলো বলে ওদের মেহনতে নাকি এ সবকিছু?

কোন মানে হয়?

তুই ঘুমো। শান্তির ঘুম।

মায়ের মুখ উজ্জ্বল করছে সোনা আমার

মা আছি পাশে বসে। ছিলাম- আছি- থাকবো।।

 

Posted in Uncategorized | Leave a comment

প্রশ্নবিদ্ধ

আমি তোমাদের মত উদার নই। তোমাদের মত সাহসী নই।  ভালোবাসার পাঠটা তোমাদের মত তাই আমি বুঝি না। আমি হিংসুটে প্রেমিক। আমি বড় স্বার্থপর। সমস্তকিছু মেনে নেয়া বা গ্রহন করার ক্ষমতা আমার মাঝে নেই। আমি আমার দৃষ্টিতে যা কিছু ভুল দেখি তা-ই অঙ্গুলিহেলনে দৃষ্টিগ্রাহ্য করার অপচেষ্টা আমার আছে। আমার নিজের ক্ষেত্রে হোক বা অপরের ক্ষেত্রে, আমি সর্বদাই এরকম। আমি প্রশ্ন তুলি। আমি লড়ি। যা চাই, আত্মকরণে পুরোপুরি চাই। আমার ভালোবাসায় আমি ছাড় দিতে প্রস্তুত নই। ভুল স্বীকার করতে যেমন আপত্তি নেই, তেমনি আপত্তি নেই অন্যের ভুল মেনে নিতে। আমি জানি আমি পারি না। আমার মত পারো না তুমিও। কিন্তু  চেষ্টা করাটা অন্তত উচিত বলে মনে হয় আমার। আমি আমার মাঝে দেয়াল রাখায় বিশ্বাসী নই। এটা অবশ্যই জরুরী নয় যে আমি-ই ঠিক। কিন্তু আমি এটা বুঝতে পারি না যে একটা মানুষ যার সঙ্গে আমি সুখে-দুঃখে সবসময় আছি, আমার জীবনে সবচে’ গুরুত্বপূর্ণভাবে যে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে- তার কাছে আমি আমার স্বপ্ন, বিশ্বাস, আদর্শের মত  জিনিষগুলো কি করে লুকোব? কি করে এগুলো একটা দেয়ালে আবদ্ধ রেখে তাকে আমার পুরোটা দেব? অবশ্যি আমার এ চাওয়াটা হয়তোবা যুক্তিসঙ্গত নয়। কেননা, কিছু মানুষ হয়তো লুকিয়ে রাখতেই জন্মায়। কেউ সইতে, কেউবা সওয়ানোতে বিশ্বাসী। আমার ভালোবাসার মানুষটার অন্যরকম। আমি যখন যা দিই, তা নিয়েই সে সুখি। সে প্রশ্ন তোলে না। চায় না। হিংসা করে না। দেয়াল থাকলেও তার কিছু এসে যায় না। কিন্তু আমার যে আমার ভালোবাসার পুরো পাঠটা পড়া চাই। আমি চাই তার স্বপ্নগুলো নিয়ে এলো করতে, বিশ্বাসকে অনুধাবন করতে- আমার পাঠটাও তাকে দিতে চাই। সে চায় না। বলে, তোমারটা তোমারই থাকুক- আমারটা আমার। আমি যে আমি-তুমি রাখতে চাই না। পুরোটা একাকার করে আমরা হয়ে যেতে চাই। যেখানে আমাতে আর তোমাতে কোন সীমারেখা থাকবে না। হয়তো আমার চাওয়াটা একটু বেশিই। তাই এখনো জোটেনি। যা চাই, তার সব যে পাবই তার তো কোন গ্যারান্টি নেই। তবে ততদিন আপনাতেই আপনি মিশে থাকবো। যেখানে দেয়াল নেই, জানালা নেই- কিচ্ছু নেই। সব স্পষ্ট দিনের আলোর মত। শিক্ষাটা সে না নিলেও আমি তার কাছ থেকে ঠিকই নিয়েছি।শুধু একটা প্রশ্ন থাকে, অনেকটা এ কবিতার মত-

They say there is a window from one heart to another

How can there be a window where no wall remains?

Posted in Uncategorized | Leave a comment

স্বগতোক্তি ২

আমি বড় ক্লান্ত।

আমি আস্তিকতা- নাস্তিকতার ধোঁয়া দেখে ক্লান্ত। আমি জামায়াতের ইসলামপ্রীতি(!!) দেখে ক্লান্ত।
আমি ক্লান্ত বিরোধীদলের কেয়ারফ্রি হরতাল ডাকা দেখে; আর ‘একাজে কিছু জান-মালের ক্ষয়-ক্ষতি হবেই’ টাইপের অনুভূতিশুণ্য স্বার্থপরতা দেখে। আমি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চাল দেখে ক্লান্ত। রাজাকারের ফাঁসি নিয়ে নাটক দেখে আমি ক্লান্ত।

আমি ক্লান্ত মুক্তচিন্তার নামে ধর্মের অবমাননায় আর পারস্পরিক শ্রদ্ধাহীনতায়। আমি ক্লান্ত কিছু বিবেকহীন কার্টুনিস্ট বা ব্লগারের আমাদের নবীকে নিয়ে নোংরামি করার স্পর্ধিত কর্মকান্ডে। ইসলামের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে মানুষ যখন উল্টা-পাল্টা গালি-গালাজ করে এবং অন্যেরা তার সাপোর্ট গায় সেটা দেখেও আমি ক্লান্ত।

আমি ক্লান্ত মিডিয়ার একপাক্ষিক বাক-স্বাধীনতা চাওয়ার পরিহাস দেখে।

আমি ক্লান্ত যখন আমার লেখা কারো পক্ষেরই নয় বলে ডিলিট করে দেয়া হয়।

পৃথিবীজোড়া বৈষম্য দেখে আমি আজ পরিশ্রান্ত। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের মুখ বুজে থাকায় আর তাদের দূর্বল বলে সবার উপেক্ষায় আমি ক্লান্ত। সাধারণ পুলিশের মৃত্যুতে আমি ক্লান্ত। আমি ক্লান্ত সাধারণ মুসলমানদের ভোগান্তিতে। রাজনীতির বা ধর্মের দোহাই দিয়ে হিন্দুনিধনে আমি ক্লান্ত।

সাম্প্রদায়িকতা লেলিয়ে দেয়া দেখে আমি ক্লান্ত।

অর্থ আর ক্ষমতার লোভ কতটা হলে সাধারণ মানুষের জীবন-ধর্ম সমস্ত কিছু বিক্রি করে দেয়া যায়? কতক্ষন নিজস্বার্থ প্রাপ্তির আশায় আমরা সকল অন্যায় অন্ধের মত মেনে যাব? এখনো কি সময় আসেনি বোঝার? রাত পোহাতে আর কত বাকী?

Posted in Articles | Leave a comment

আমার কথা (প্রভু সন্নিবেশ)

অংক ১

 

তখন আমি শিশু- ভাঙ্গনের আওয়াজ শুনি প্রথম

কোন এক বিস্তীর্ণ ভূকম্পে দেখি পৃথিবী টলায়মান

প্রচন্ড এক আতংকে আমি ডুকরে কাঁদি

বলে উঠি- মরণ ভালো এর চেয়ে।

আমার সেই কান্নাভেজা আকুতি শোনেন আমার প্রভু

ভেঙ্গে যাওয়া কাঁচের পৃথিবী এক করে দেন তিনি…

সেই ফাটল আমি দেখে গেছি চিরদিন

আমার নিভৃতে কেঁদেছি রাতের পর রাত,

টুকরো পৃথিবী আঁকড়ে রাখতে দেখেছি প্রভুর রক্তাক্ত হাত,

আমার কান্নায় মিশে গেছে তাঁর হাহাকার-

তবু তাঁর মুখ দেখেছি আমি কষ্টের অনুভুতিহীন

দেখেছি ভুবনভোলানো হাসিতে পৃথিবীতে আলোর ফোয়ারা।

তারপর ভুলের পর ভুল করে কাঁদিয়েছি তাঁকেই

জানি আমার পৃথিবী অস্থির হবে না তিনি থাকতে

এক অপার নির্ভরতায় তাঁকেই অবহেলা করেছি

ভুলে গেছি প্রভুও ব্যাথিত হন আমার ঔদাসীন্যে।

কোন এক বিষন্ন সন্ধ্যায় দেখেছি তাঁর নিভৃত ক্রন্দন

ভেবেছ, একি করলাম! এর চেয়ে প্রস্থান ভালো।

 

 

অংক-২

 

কতকপর-

আমি আকাশ দেখি বিবর্ণ, সেখানে বিরহের সানাই বাজে

লজ্জিত আমি সংকীর্ণতার খোলসে জড়িয়ে কুঁকড়ে থাকি

প্রখর রোদ আর সবুজহীন প্রান্তরের এক কোণে-

আচমকা রক্তাক্ত প্লাবনের ঢল নামে পৃথিবীর বুকজোড়া

ভাসিয়ে যায় আমার প্রভুর চরণে

কম্পমান আমি অপেক্ষা করি তাঁর মৌনব্রত ভাঙ্গার

আমায় দেখে তিনি হুংকার করে ওঠেন

ভীত-অভিমানী আবার উঠি

এবার শাসন করেন তিনি- প্রভুর অধিকারে নত হই আমি।

প্রভু আমায় ঠাই দেন তাঁর অসীম অন্তরীক্ষে-

তাকিয়ে দেখি রক্তের প্লাবন বাহিরে নেই আর

এর উৎস যে এখনেই!

আজ ভাবি, কি হত যদি আমি স্রোতের টানে না ভেসে উজানে যেতাম?

কি হত যদি নির্লজ্জ অহংকার ভাঙ্গার অভিমানে আমি রয়ে যেতাম আড়ালেই?

হয়তো কিছুই না- একেবারেই কিছু না…

Posted in Uncategorized | Leave a comment

হলদে পাতার গল্প

হে সমুদ্র,
তোমায় আজ একটা গল্প শোনাবো বলে এসেছি।

দেখো তোমার বহমান খরস্রোত,
ঊর্মির সাথে বয়ে যায়, ভেসে যায়, দৌড়ে যায়
ঐ বারিমালা-
এটা তাদের গল্প নয়।

দেখো ভাসমান জাহাজের দূর্বার গতি
ঢেউয়ের বুক চিরে যায়তীরের দিকে-
স্রোতের পক্ষে বা বিপক্ষে,
এটা তাদেরও গল্প নয়।

দেখো ঐ মৎসপাল
ঝাঁকে ঝাঁকে ঘুরে বেড়ায়একুল হতে ওকুলে
তাদের বাসভূমি যে এখানেই-
এটা তাদের গল্পও নয়।

গল্পটা ভাসমান ভিনদেশী এক পত্রপল্লবের
সেই যে ঝড়ো হাওয়ায় ছিড়ে নিয়ে এলো
শুকিয়ে হলদে হয়ে গেলো,
ছেড়ে এলো তার পূণ্যভূমি- এক দমকায়
তার গল্প এটা।

সবুজ স্নিগ্ধ প্রবাল বা সামুদ্রিক গাছ নয়,
কচুরীপনা আর শেওলা নয়-
কোন জলজ উদ্ভিদ অথবা ফুলও নয়,
স্রোতের ধাক্কায় মুহুর্মুহু এমাথা ওমাথা
পরদেশী যে হলুদ পাতাটা উদ্দেশ্যহীন ভাসে
পচে তলিয়ে যাবে বলে-
গল্পটা তার।

শুনবে কি? দু’ফোটা অশ্রুবলি কি দেবে?
অথবা মৌনতায় করবে কি শোকপ্রকাশ?
তার নামে দেবে তোমার কোন তীরের নাম?
অথবা একদিন ছুটি?

বড় বেশি ব্যস্ত তোমরা,
চালচুলোহীন পাতার গল্পে পোষাবে কেন বলো?
আমি কিন্তু বলেই যাবো-
স্রোতের ধাক্কায় এমাথা ওমাথা
অন্তহীন বয়ে যাওয়া তলানোর আগে,
একটা- দু’টো- হাজারো হলদে পাতা-
গল্পটা তার, তাদের।

— হলদে পাতার গল্প

Posted in Uncategorized | Leave a comment

স্বগোতক্তি

দেশে এইসব কি হইতেছে? এতদিন দেখলাম দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়া প্রহসন। এখন দেখি নাস্তিকতার বিরুদ্ধে প্রহসন। আমরা কি ফুটবল যে সবাই আমাগো লইয়া খেলবো?

আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার পক্ষের দল। উনারা যুদ্ধাপরাধীদের ইস্যুতে সাপোর্টিভ থাকবেন এইটা স্বাভাবিক। ছিলেন কি? মৌন সমর্থন ছাড়া তারা এ ইস্যুর স্বপক্ষে প্রকৃতপ্রস্তাবে কিস্যু করেন নাই। কারণ, তাতে বর্তমান আওয়ামী লীগের কতিপয় শীর্ষস্থানীয় নেতা ধরা খাইতে পারে। এ কারণে উনারা জনগণের কাছ থেইকা প্রতিবাদ আশা কইরা বইসা ছিলেন। জামাত-শিবিরের চিহ্নিত রাজাকারদের বিচারের দাবী যখন চলে তখন আওয়ামী লীগ চুপ কইরা মজা নেয়। কিন্তু কিছুই করে না। আর যদি সব রাজাকারের দাবী চাওয়া হয় তাইলে আওয়ামী নেতারা বঙ্গবীরের উপাধি ফেরত নিবেন বইলা হুমকি দেন। উনি নাকি রাজাকারের দোষর!! 

আর এখন শিবির যেইটা শুরু করছে সেইটা তো আরেক প্রহসন। নাস্তিকদের বিচার চাই। কোন জায়গায় আছে যে বিধর্মী বা নাস্তিক ধইরা ধইরা মাইরা ফালাইতে হবে? মহানবী (সাঃ) এর জীবন দেখেন। উনি (সাঃ) যখন তৌহিদ বা একত্ববাদের প্রচার করেন, তখন লোকেরা তাকে দিকভ্রান্ত বা পথভ্রষ্ট বলত। অত্যাচার করছে, মারছে। কিন্তু তিনি কখনো তাদের সাথে খারাপ করেন নাই। ভালো ব্যবহার ই কইরা গেছেন। খারাপ করা দূরে থাক, তিনি কখনো তাদের খারাপ চান ও নাই। বদ দু’আ করেন নাই। আল্লাহ’র নবী (সাঃ), তাঁর সম্মান আল্লাহর কাছে। সেই সম্মান নষ্ট হয় নাই, হইবও না। আর তৌহিদি জনগণ-আমরা পতাকা পুড়ায়া ফেলবো,চত্বর ভাইঙ্গা ফেলব। এইসব কি? দেশের পতাকা পুইড়া ফেলা কোন ধর্মে আছে?
নাস্তিকতা আমারো পছন্দ না। কিন্তু এইটা যার যার বিশ্বাস। কি করার আছে? আপনি আমি বলতে পারি, কিন্তু পথ দেখানোর মালিক আল্লাহ। উনি না চাইলে কিছু করার নাই। যে শুদ্ধমনে হেদায়েত চাইবে, আল্লাহ দিবেন। না হলে আমাদের কি করার আছে? মাইরা ফেলবো ধইরা ধইরা? 
”আল্লাহপাক সীমা অতিক্রমকারীদের পছন্দ করেন না”
আমরা সীমা অতিক্রম করলে আমরাও ওই দলে পইড়া যামু। আমি নাস্তিক ব্লগারের লেখার তীব্র প্রতিবাদ আগে ও করছি, এখনো করি। কিন্তু এর মানে এই না যে অগো ধইরা ধইরা মাইরা ফালাইতে হইবো। মহানবী (সাঃ) রে সম্মান করেন, উনার জীবন আকড়াইয়া ধরেন। ভালো মানুষ হই আসেন আমরা সবাই। কেউ অন্যায় করছে দেইখা তাগো দেখাদেখি আমরাও অন্যায় করবো এই লাইসেন্স আমাগো ইসলাম দেয় নাই। মহত্ব শিখি আসেন। ক্ষমা করতে শিখি। পস্তাইবেন না। 
”আল্লাহ ধৈর্য্যধারণকারীদের পছন্দ করেন”
জামাত-শিবিরদের আমাদের ধর্মানুভুতি নিয়া খেলতে দিয়েন না। প্লিজ। ওরা যা করতাসে তাও ক্ষমতার লিগাই করতাছে। আপনাগো আল্লাহর দোহাই লাগে। চোখ খুলেন। 

বাঙ্গালী হুজুগে ছিল। এখনো আছে। যে যেদিকে ডাক দেয়, সেদিকেই যাই। এখনো সময় আছে। অন্ধের মত না থাইকা- আসেন পড়ি। জানি- বুঝি। উগ্রতায় কোন সমাধান নাই। নিজের বিবেক খাটাই আসেন। আল্লাহ আমাদের হেদায়েত আর সঠিক বুঝ দেন। আমীন।।

Posted in Articles | Leave a comment