এলোকাব্য

এক.
তুই দেখেছিস কাকফাটা দিন,
তাপে ভাপে ওষ্ঠাগত প্রাণ-
কতটা জ্বলে ওই রোদ আসে?

তুই দেখেছিস খোদাই পাথর,
ভেজে এটেলের শুকনো দলা-
কতটা আচে কতটা ছাঁচে- এমন হল?

তুই দেখেছিস ঝালুড়ে হাসি,
ফ্রেমের ওপাশে ঠোঁটের ভাজ-
কতটা টেনে ত্রিভুজ বানায়?

তুই দেখেছিস বিবাগীর প্রস্থান,
হেলতে দুলতে অনায়াস গমন-
নির্লিপ্ত হতে কতটা পাষাণ লাগে?

দুই.
ওই যে বাস্প ভাজে লুকায়
একটু শীতল ঘষে যা-
ঝর্ণা বয়ে ভেজাবে তোকে।

খোদাই পাথর?
জল ছিটালে কাদা নরোম
পায়ের তলায় লুটোপুটি খাবে।

ঝালুড়ে হাসির দমকা আঁচ?
হাসিতে দৃষ্টি মেলা-
বিষন্নতার দোকান পাবি।

বিবাগী চলে যায়?
গেরুয়ার খোঁটে দুফোটা বেধে দিস
আজন্ম শিকল লেগে যাবে।

যবনিকা-
হৃদয় কাঁদে যখন হৃদয়ের লাগি
স্বর্গ কিবা লাগে- এই মর্ত্যই মাগি!

Advertisements
This entry was posted in Poems. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s